খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী
খুলনা-টু-চিলাহাটি-ট্রেনের-সময়সূচী

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে সঠিক গাইডলাইন এখানে দেখুন। ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেনের ভাড়ার তালিকা, ট্রেনের কোড, ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন, ট্রেনের স্টপিজ স্টেশানের নামের তালিকা সহ আরো গুরত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে এখানে আলোচনা করেছি।

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে আপনাকে এই রুটে ট্রেন ভ্রমন করতে হবে। চিন্তার কোন কারন নেই আমি আপনাকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। আগে থেকে ট্রেন সম্পর্কিত সঠিক তথ্য জানা থাকলে ট্রেন ভ্রমনে সহজ মনে হয়। চিলাহাটি টু খুলনা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুসারে এই রুটে মাত্র দুটি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে যেমন রূপসা এক্সপ্রেস (727) এবং সীমান্ত এক্সপ্রেস (747)। ট্রেন দুটি সঠিক সময়ে খুলনা স্টেশান থেকে ছাড়ে। তাই সঠিক সময়ে স্টেশানে উপস্থিত হতে হবে। নিচে এই সকল ট্রেনের সঠিক সময়সূচী একটি টেবিলে দেওয়া হলো। ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

ট্রেনের নাম ট্রেনের কোড খুলনা ছাড়ে চিলাহাটি পৌঁছে বন্ধের দিন
🚆রূপসা এক্সপ্রেস 727 07:15 সকাল 05:00 বিকাল বৃহস্পতিবার
🚆সীমান্ত এক্সপ্রেস 747 09:15 রাত 06:45 সকাল সোমবার

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে এই রুটে আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়া আসন ভেদে কম বা বেশী হয়। একাধিক আসনের শ্রেনী রয়েছে, আপনি যে কোন একটি আসনে বসে ট্রেন ভ্রমন করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে একটি টেবিলে আসনের শ্রেনী বিন্যাস সহ টিকিট মূল্য সাজিয়ে দেওয়া হলো। ঢাকা টু পীরগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

সিটের ধরন টিকিটের মূল্য
শোভন চেয়ার টাকা 575
স্নিগ্ধা টাকা 1104
এসি সিট নাই
এসি বার্থ নাই

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের স্টপিজ স্টেশানের নামের তালিকা

খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ সমন্বয় করে আন্তঃনগর ট্রেন গুলো নির্দিষ্ট স্টেশানে থামে বা যাত্রা বিরতী দেয়। কোন ট্রেন কোন কোন স্টেশানে থামে তাদের নাম গুলো নিচে একটি টেবিলে সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম। ঢাকা টু পীরগাছা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

  1. 🚆রূপসা এক্সপ্রেস (727)

    খুলনা → নওয়াপাড়া → যশোর → মোবারকগঞ্জ → কোটচাঁদপুর → দর্শনা হল্ট → চুয়াডাঙ্গা → আলমডাঙ্গা → পোড়াদহ → ভেড়ামারা → পাকশী → ঈশ্বরদী → নাটোর → আহসানগঞ্জ → সান্তাহার → আক্কেলপুর → জয়পুরহাট → বিরামপুর → ফুলবাড়ী → পার্বতীপুর → সৈয়দপুর → নীলফামারী → ডোমার → চিলাহাটি।
  2. 🚆 সীমান্ত এক্সপ্রেস (747)

    খুলনা → দৌলতপুর → নওয়াপাড়া → যশোর → মোবারকগঞ্জ → কোটচাঁদপুর → দর্শনা হল্ট → চুয়াডাঙ্গা → আলমডাঙ্গা → পোড়াদহ → ভেড়ামারা → ঈশ্বরদী → নাটোর → সান্তাহার → আক্কেলপুর → জয়পুরহাট → বিরামপুর → ফুলবাড়ী → পার্বতীপুর → সৈয়দপুর → নীলফামারী → ডোমার → চিলাহাটি।
  3. খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সমাপ্তি কথা

    খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে আপনার যে কোন মতামত এখানে জানাতে পারেন। সবশেষে বলা যায়, খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে যাত্রা অনেক বেশি সহজ, স্বস্তিদায়ক ও পরিকল্পিত হয়। এক কথায়, সময় বাঁচাতে, খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিশ্চিন্তে গন্তব্যে পৌঁছাতে খুলনা–চিলাহাটি ট্রেন হতে পারে দারুণ একটি ভ্রমণ মাধ্যম। আপনার যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক ধন্যবাদ। ঢাকা টু তালোড়া ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

    “দ্রষ্টব্য: খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও টিকিটের মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমনের আগে সর্বশেষ ও সঠিক তথ্য জানার জন্য নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা ই-টিকিটিং পোর্টাল থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এখানে প্রদত্ত তথ্যগুলো পাঠকদের সুবিধার্থে উপস্থাপন করা হয়েছে। ধন্যবাদ।”

    প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব

    প্রশ্ন: খুলনা থেকে চিলাহাটি যাওয়ার জন্য কোন ট্রেনগুলো রয়েছে?

    উত্তর: খুলনা থেকে চিলাহাটি রুটে আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে রূপসা এক্সপ্রেস ও সীমান্ত এক্সপ্রেস চলাচল করে।

    প্রশ্ন: খুলনা–চিলাহাটি ট্রেনের ভাড়া কত?

    উত্তর: খুলনা টু চিলাহাটি ট্রেনের ভাড়া আসন ভেদে কম বা বেশী হয় যেমন শোভন চেয়ার 575 টাকা এবং স্নিগ্ধা 1104 টাকা মাত্র।

    প্রশ্ন: যাত্রার আগে সময়সূচি যাচাই করা কেন জরুরি?

    উত্তর: যাত্রার আগে ট্রেনের সময়সূচি যাচাই করলে নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয়। সময়সূচির পরিবর্তন বা ট্রেন বাতিলের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সম্পর্কে আগে থেকেই জানা যায়। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ও ট্রেনের ছাড়ার সময় নিশ্চিত করা যায়। ফলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি যাত্রা হয় আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নির্বিঘ্ন।