ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী
ঢাকা-টু-চিরিরবন্দর-ট্রেনের-সময়সূচী

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে সঠিক তথ্য এখানে জানুন। চিন্তার কোন কারন নেই আমি ট্রেনের সঠিক সময়সূচী, ট্রেনের ভাড়ার তালিকা, ট্রেনের কোড, ট্রেনের ছুটির দিন, ট্রেনের স্টপিজ স্টেশানের নামের তালিকা সহ আরো গুরত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে আপনি যদি এই রুটে ট্রেন ভ্রমন করতে চান তাহলে আজকের এই পেটাস্টটি আপনার জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। আশা করি আপনার প্রয়োজনমত সকল আপডেট তথ্য এখানে পাবেন। ভ্রমনের পূর্বে ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এবং অন্যান্য তথ্য এখানে দেখে নিবেন। চিরিরবন্দর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে এই রুটে মাত্র দুটি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে যেমন একতা এক্সপ্রেস (৭০৫) এবং দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৭)। ট্রেন গুলো সঠিক সময়ে স্টেশানে উপস্থিত হয়। ঢাকা টু পীরগাছা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

ট্রেনের নাম ট্রেনের কোড ঢাকা ছাড়ে চিরিরবন্দর পৌঁছে বন্ধের দিন
🚆একতা এক্সপ্রেস 705 10:15 সকাল 06:40 সন্ধা নাই
🚆দ্রুতযান এক্সপ্রেস 757 08:45 রাত 04:25 রাত নাই

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে এই রুটে আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়া আসন ভেদে কম বা বেশী হতে পারেন। সকল শ্রেনীর আসনের ব্যববস্থা রয়েছে। আপনাদের সুবিধা মত ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন। নিচের টেবিল থেকে আপনার আসনের টিকিট মূল্য দেখে নিন। ঢাকা টু তালোড়া ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

সিটের ধরন টিকিটের মূল্য
শোভন চেয়ার টাকা 605
স্নিগ্ধা টাকা 1156
এসি সিট টাকা 1386
এসি বার্থ টাকা 2126

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের স্টপিজ স্টেশানের নামের তালিকা

ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ মেনে এই রুটে আন্তঃনগর ট্রেন গুলো যে যে স্টেশানে থামে বা যাত্রা বিরতী দেয় সেই সকল স্টেশানের নাম ট্রেনের নামের সাথে একটি ছকে দেওয়া হলো। আপনি একবার দেখলেই সহজেই বুঝতে পারবেন। লালমনিরহাট টু গাইবান্ধা ট্রেনের সময়সূচী এখানে দেখুন।

  1. 🚆একতা এক্সপ্রেস (৭০৫)

    ঢাকা → বিমানবন্দর → জয়দেবপুর → টাঙ্গাইল → ইব্রাহিমাবাদ → শহীদ এম. মনসুর আলী → উল্লাপাড়া → ঈশ্বরদী বাইপাস → নাটোর → সান্তাহার → আক্কেলপুর → জয়পুরহাট → পাঁচবিবি → বিরামপুর → ফুলবাড়ী → পার্বতীপুর → চিরিরবন্দর।
  2. 🚆 দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৭)

    ঢাকা → বিমানবন্দর → জয়দেবপুর → টাঙ্গাইল → ইব্রাহিমাবাদ → জামতৈল → চাটমোহর → নাটোর → আহসানগঞ্জ → সান্তাহার → আক্কেলপুর → জয়পুরহাট → পাঁচবিবি → বিরামপুর → ফুলবাড়ী → পার্বতীপুর → চিরিরবন্দর।
  3. ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সমাপ্তি কথা

    ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে যে কোন তথ্য জানার থাকলে দয়া করে নিচে কমেন্ট বক্সে লিখতে পারেন। ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেন অনেক যাত্রীর জন্য স্বস্তিদায়ক ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী একটি যাতায়াতের মাধ্যম। আশা করি, ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কিত এই তথ্য আপনার যাত্রা পরিকল্পনায় কাজে আসবে। সঠিক ট্রেন ও সুবিধাজনক আসন বেছে নিয়ে আপনার ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর রেলযাত্রা হোক নিরাপদ, আরামদায়ক ও আনন্দময়। সান্তাহার টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া এখানে দেখুন।

    “দ্রষ্টব্য: ঢাকা টু চিরিরবন্দর ট্রেনের সময়সূচী ও টিকিটের মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমনের আগে সর্বশেষ ও সঠিক তথ্য জানার জন্য নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা ই-টিকিটিং পোর্টাল থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এখানে প্রদত্ত তথ্যগুলো পাঠকদের সুবিধার্থে উপস্থাপন করা হয়েছে। ধন্যবাদ।”

    প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব

    প্রশ্ন: ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর ট্রেনের ভাড়া কত?

    উত্তর: ঢাকা থেকে চিরিরবন্দরের ভাড়া আসনের শ্রেণি অনুযায়ী আলাদা হয়। যেমন শোভন চেয়ার 605 টাকা, স্নিগ্ধা 1156 টাকা, এসি সিট 1386 টাকা এবং এসি বার্থ 2126 টাকা মাত্র।

    প্রশ্ন: ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর যাওয়ার আগে কতদিন আগে টিকিট কাটা ভালো?

    উত্তর: বিশেষ করে ছুটির দিন, ঈদ বা অন্যান্য ব্যস্ত সময়ে আগে থেকেই টিকিট সংগ্রহ করা ভালো। এতে পছন্দের ট্রেন ও আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং শেষ মুহূর্তের বিড়ম্বনা এড়ানো যায়।

    প্রশ্ন: ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর ট্রেনের টিকিট কোথা থেকে পাওয়া যায়?

    উত্তর:ঢাকা থেকে চিরিরবন্দর যাওয়ার ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ই-টিকিটিং সেবা অথবা রেলওয়ের অনুমোদিত কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যায়। যাত্রার আগে পছন্দের ট্রেন ও আসন খালি আছে কি না দেখে টিকিট করে নেওয়া ভালো। বাংলাদেশ রেলওয়ে বর্তমানে অনলাইন টিকিটের জন্য তাদের নির্ধারিত সেবা ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে।